Description
অসীম দেব। ২২৮ পাতা। হার্ডকভার। ভিয়েতনাম ভ্রমণ নিয়ে এই স্বাদু বিবরণ কেবলমাত্র তাদের দৃশ্য-শব্দ-সংস্কৃতির সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেয় তাই নয়, পাশাপাশি তার সংগ্রামের ইতিহাসকেও নিজে প্রত্যক্ষ করে পাঠকের গোচরে আনে গভীর সত্যনিষ্ঠতায়।
₹450.00
অসীম দেব। ২২৮ পাতা। হার্ডকভার। ভিয়েতনাম ভ্রমণ নিয়ে এই স্বাদু বিবরণ কেবলমাত্র তাদের দৃশ্য-শব্দ-সংস্কৃতির সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেয় তাই নয়, পাশাপাশি তার সংগ্রামের ইতিহাসকেও নিজে প্রত্যক্ষ করে পাঠকের গোচরে আনে গভীর সত্যনিষ্ঠতায়।
4 in stock
অসীম দেব। ২২৮ পাতা। হার্ডকভার। ভিয়েতনাম ভ্রমণ নিয়ে এই স্বাদু বিবরণ কেবলমাত্র তাদের দৃশ্য-শব্দ-সংস্কৃতির সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেয় তাই নয়, পাশাপাশি তার সংগ্রামের ইতিহাসকেও নিজে প্রত্যক্ষ করে পাঠকের গোচরে আনে গভীর সত্যনিষ্ঠতায়।
| Weight | 400 g |
|---|---|
| Dimensions | 8.5 × 5.5 × 1.5 in |
chat with us
Pradeep Chatterjee –
অনামী লেখকের একটি অসাধারণ ভালো বই। সহজ করে লেখা এই বই থেকে ভিয়েতনাম সম্বন্ধে অনেক কিছুই জানা যাবে। যারা ভিয়েতনামে যাবার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এক অতি আবশ্যকীয় বই।
রাজীব সেনগুপ্ত –
ভিয়েতনামের বিস্তারিত ভাবে লিখেছেন, এবং ছবি গুলো জোগাড় করা, itself একটা revelation, আমার মতো অজ্ঞ দের জন্য তো বটেই, বিশেষ করে এই প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের জন্য, যারা এই সম্বন্ধে প্রায় কিছুই জানে না, বলা হয় শতাব্দীর সেরা fight back! আপনার topic টা র ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে, বিশেষ করে বর্তমান আর্থ-রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষিতে।
দেবদত্ত ভট্টাচার্য/Debdatta Bhattacharya –
ভিয়েতনাম বললেই আমার বয়সি বাঙালির মনে ভিয়েতকং, হো চি মিন, নাপাম বোমা, সেই পলায়নপর বালিকা – এই ছবিগুলো ভেসে ওঠে। অসীম দেব এ বই যে লিখেছেন, তাতে সে ছবি যে নেই তা নয়; আছে, কিন্তু ইতিহাস হয়ে। যে ইতিহাস সে দেশের মানুষেরা কেমন সযত্নে ধরে রেখেছে, কেমন স্পষ্ট করে দুনিয়াকে জানাচ্ছে, সে খবর দিচ্ছে এই বই।
অসীম দেব লিখেছেন মূলত সাম্প্রতিক ভিয়েতনাম নিয়ে। কেমন লাগবে সে দেশ, যদি বেড়াতে যান। খুব মনোগ্রাহী ভাষা; বৈঠকি কিছুটা, ভাবগম্ভীর নয় যে, তা নয়। পড়তে ভালো তো লাগবেই, সেই সঙ্গে জানবেন অনেক কিছু।
Sutapa Barua –
ভিয়েতনাম নিয়ে খুব সুন্দর লেখা, অনেক অজানা জানতে সাহায্য করেছে ….. ভিয়েতনামে ঘুরতে গেলে অবশ্যই সবার ক্ষেত্রে এই বইটি খুব সাহায্য করবে ।
কল্যাণী সেনগুপ্ত –
আমার এক বন্ধুর থেকে বইটা পেলাম। খুবই সুন্দর লেখা। ভিয়েতনাম নিয়ে আমাদের ধারণা খুবই কম, বলে চলে যেটুকু জানতাম শুধুই আমেরিকান অত্যাচার। এই দেশ, তার ইতিহাস সংস্কৃতি স্থাপত্য নিয়ে আমার কোন ধারনাই ছিল না। অসীম দেব খুব সুন্দরভাবে এই দেশটির চেহারা তুলে ধরেছেন। যদিও পড়ে ফেলেছি, তবু বইটা আমি কোন একসময় কিনবো।
Biplab Dasgupta –
অপূর্ব তোমার বিশ্লেষণ, বিশেষ করে হ্যানয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর যেভাবে বর্ণনা দিয়েছ, আমি খূব আপ্লুত। এত প্রশস্ত স্থান জুড়ে এই বিশ্ব বিদ্যালয়ের পঠন ব্যবস্থা যে পড়তে পড়তে মনে হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতন এখান থেকেই প্রভাবান্বিত হয়েছিল কি না।
Stalie র কথা যে লিখেছ, এইরকম প্রস্তরগাত্রে লিপি বাঅঙ্কন আমাদের দেশেও অনেক মন্দিরে দেখা যায়। আমার যদি ভুল না হয়, তবে কোনারকের মন্দির বা অজন্তা-ইলোরার গুহায় বিদ্যমান।
যাইহোক, তোমার এই রচনা থেকেও আমি অনেককিছু জানতে পারলাম। এইজন্য অনেক অভিনন্দন আর শুভেচ্ছা।
প্রদীপ দাশগুপ্ত –
শুরুতেই আপনি বলেছেন
The people of Germany and Japan had to rebuild their nation, as they surrendered after the shameful devastating end of the second World War in 1945. In Vietnam too, people had to rebuild their nation, though devastated but that of a glorious victory against the United States of America in 1975.
আপনি আরও বলেছেন, much has been left unknown about the country, most remarkably about their success in establishing their identity as one of the most progressive countries of the world in the last 50 years.
আমি আপনার সাথে সম্পূর্ণ সহমত।
এবং এটাই আমার মতামত। আপনার লেখা পড়ে অনেক কিছুই জানার আছে।
মৃণাল কান্তি দাশগুপ্ত –
স্কুলে কোনোদিন ইতিহাস বা ভূগোল বইতে ভিয়েতনাম পাঠ্য বিষয় ছিল বলে মনে পড়ে না, যদিও ভিয়েতনামের যুদ্ধ ইতিহাসের পাঠ্য হওয়া উচিত বলেই মনে করি।
ভিয়েতনাম নিয়ে আমাদের মতন সাধারণ মানুষের জ্ঞান সামান্য, ভিয়েতনাম নিয়ে প্রামাণ্য বইও বাজারে কম। লেখক অনেক পড়াশোনা করে যত্ন নিয়ে এটি লিখেছেন। ছবিগুলি থাকায় আমাদের দেশটিকে জনতে বুঝতেও অনেক সুবিধে হয়েছে।
শরদিন্দু মুখোপাধ্যায় –
বেশ ভালো লিখেছেন, প্রচুর তথ্য ও বিরল দৃশ্যর ছবিও দিয়েছেন। ভিয়েতনামের যোদ্ধাদের অসংখ্য কুর্ণিশ। আর এই অসম যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত একটি সচিত্র ইতিহাস এখান থেকেই পাওয়া যাবে।
তবে বাংলা আর মাঝে মাঝে ইংরেজি এই দুটি ভাষাতেই কেন? অবাঙালীরা তো এত ভালো একটি ইতিহাস পড়তেই পারবে না।